মোকাম ------বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকের কার্যালয়
(স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাকনামা)
মোঃ খন্দকার আল এমরান হোসেন, পিতা-মোঃ খন্দকার মোশারফ হোসেন, মাতা-মিসেস তুহিন আক্তার, সাং-------, পোঃ------, থানা------, জেলা-----, বয়স- বৎসর, পেশা-ব্যবসা, জাতীয়তা-বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম।
------------তালাক দাতা।
এবং
আইরিন আক্তার, পিতা মৃত-মোঃ আবু তাহের, মাতা-ফিরোজা বেগম, সাং-----, পোঃ-----, থানা------ সদর, জেলা-----, বয়স- বৎসর, পেশা-গৃহিনী, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-বাংলাদেশী।
-----------তালাক গ্রহীত্রী ।
এই মর্মে হলফ করিয়া উক্ত হলফনামা/তালাকনামার মাধ্যমে ঘোষনা করিতেছি যে,
১। আমার সহিত আইরিন আক্তার এর সহিত ইসলামী শরাশরিয়ত বিধান মোতাবেক কাবিন রেজিষ্ট্রি মূলে বিববাহ সম্পন্ন হয়।
২। আমাদের বিবাহের পর পরই আমার স্ত্রী আমার পরিবারের সদস্যদের লোকজনদের সহিত খারাপ আচরন করিয়া আসিতেছে। সে কিছুইতে আমার বাড়িতে আসবে না, বাসায় উশৃংখল জীবন যাপন করিতেছে এবং পরকিয়া প্রেমে আসক্ত যাহার ফলে পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে আমাদের পরিবারকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করিতেছে এবং সে আমার অবাধ্য চলা ফেরা করিতেছে। সে আমার সাথে প্রতিনিয়ত খারাপ আচরন করে থাকে। তাহার ইচ্ছা মত চলা ফেরা করে। সে আমার বাড়ীতে থাকে না, কয়েক বার সালিশ হইয়াছে। সালিশের কথাবার্তা সে মানে না। শরাশরীয়তের বিধান মতে চলিতে বলিলে ক্ষিপ্ত হয়। তাহার আচার আচরন চলা ফেরা কর্থা বার্তা ইসলামী শরাশরিয়ত এবং সামাজিক রীতিনীতি পরিপন্থি। তাহার আচার আরচন চলা ফেরা আমার পিতা এবং আত্মীয় স্বজনের সাথে রুঢ় আচার আচরনে আমি বাধ্য হইয়া ভবিষ্যত সুখের কথা বিবেচনা করিয়া অদ্য ভুলাইন ৩নং উত্তর ইউনিয়ন, লালমাই, কুমিল্লার কাজী আবুল কালাম আজাদ এর অফিসে হাজির হইয়া আমার স্ত্রী আইরিন আক্তারকে এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক ও তালাকে বাইন উচ্চারন করিয়া আমাদের বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করিলাম। যাহার বহি নং-...., পৃষ্ঠা নং-২৪, অদ্য হইতে আপনি আমার স্ত্রী নহে ও আমি আপনার স্বামী নহে। আমরা কেউ কাউকে স্বামী স্ত্রী হিসাবে দাবী করিতে পারিব না করিলে তাহা অগ্রাহ হইবে।
উপরোক্ত যাবতীয় বিবরণ সত্য। উহার কোন অংশ মিথ্যা ও গোপন করি নাই। কাহারো প্ররোচনা ব্যাতিরেকে উক্ত হলফনামায় দস্তখত করিয়া সম্পাদন করিয়া দিলাম। তাং-০৮/০৪/২১ইং
-----------
হলফকারীর স্বাক্ষর
-------------------
সনাক্তকারী আইনজীবীর স্বাক্ষর
Comments
Post a Comment